পরিচয়পত্রে যাই লেখা থাক না কেন
চেনা-চৌহদ্দির বাইরে বেরিয়ে
আমি তো জেনে গেছি
আমি আসলে এক মুখপোড়া ঢ্যামনা-মানুষ, যদিও,
আপাদমস্তক চন্দনচর্চিত
আমার পাঁচ-ভূতে চটকানো জীবনে
যখনি ভাবতে বসি
নিজের সত্তার মধ্যে আমি কতটুকু আছি
আর কতটাই বা আছে
দুপুরের লাউ-চিংড়ি,
রোজকার বাজারদর,
অথবা রাস্তায় যেতে যেতে
আড়চোখে
দেখে নেওয়া
সাইকেল-কিশোরীর উদ্ধত বুক
এবং চারপাশের পলিটিক্স ও পলিউশন
তখনি দেখি
আমার
হেড অফিসের গণ্ডগোল
খুব হাসাহাসি করছে
তাহলে, এই-যে রক্ত-মাংসের আলোছায়ায়
ভালোবাসার দোকান খুলে বসে থাকি
দিনভর গাছ ফুল পাখির দিকে তাকাই
খাবলা খাবলা ন্যাকামি দিয়ে সা্জিয়ে নিই
পারুল পারুল গতরের শীতকাতরতা
এসবের সবটাই কি ফাঁকি
যদি সেটা হয়
তো
তাই হোক
আজ কোনো মিথ্যে কথাকেই আমি আর
শূন্য-হাতে ফিরে যেতে দেব না
চিন্তা কীসের
তারপরেও
তো থেকে যাবে
আবার দালালদের খপ্পড়ে পড়ে
আমার সব-খোয়ানোর ছিঁচ-কান্না
আর বিউটি-কনটেস্টে নামার আগে
তোমার ঠ্যাং-ছড়িয়ে উকুন-বাছতে বসা