Total Pageviews

Monday, December 23, 2019

না-বাঁচার আনন্দ


বউ বলল, বাব্বাঃ, দিনকাল যা পড়েছে
                    এখন সকলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সময়
তার মানে নুনে-পোড়া বাঁধাকপির সঙ্গে তাল মেলাতে হবে
            আবার ঘ্যানঘ্যানে কপিকলের সঙ্গেও তুমুল ভাব জমাতে হবে
                     অথচ আমি কখনো তালতলা দিয়ে হাঁটি না
                                         তাহলে,

                                আমার কী হবে গো কাকা 
থাকি তো বেলতলায়, বাবা-ব্রহ্মদত্যির শ্রীচরণ বন্দনা করে
বৃশ্চিক-রাশির মুখ থেকে পিছলে পড়া কুকথার গায়ে
দিনরাত বোরোলিন ঘষি
            আর নন্টে-ফন্টের গল্প শুনিয়ে
                      কড়াই ও খুন্তির দ্বন্দ্ব-বিবাদ মেরামত করি
এই দেখুন না, এই যে চিরবসন্তের সখিগাথা
নৈশ-ফুটবলের ধিনতা-মিতাং থেকে
             আমাকে ফুঁসলে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে
                       এক শীতার্ত লেবার-রুমের ঘন-জ্যামিতিতে
সেখানে সর্বনাশের তালিকায়
            কিছু রঙিন ফুলের শুভেচ্ছা
                      কিছু হলুদ পাজামার স্মৃতিকথা
                     আর নদীঘাট থেকে কুড়িয়ে আনা
                      কার যেন এক-কলসি নিষিদ্ধ পায়ের ছাপ
মজা নদীর খাত এই অ-কুয়াশার পাঠশালায়
                        নষ্ট-বীজের কাছে ভিক্ষে চেয়ে নিয়েছি
                                 বৃষরাশি জোড়া বৃষ্টিনাম
খোলামকুচি-বিরচিত জীবন-যাপনে
              এইসব না-বাঁচার আনন্দ নিয়েই ভুলে থাকি
                                  বেঁচে থাকার বকচ্ছপ

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...