Total Pageviews

Thursday, June 29, 2017

ফিউচার-টেন্স

সুন্দরের বেডরুম হোক
অথবা অসুন্দরের বাথরুম

যে কোনো দিকেই আমি
চলে যেতে পারি

মাছের ঝোল এবং ঢাকের বোল
দু-তরফের কেউই তাতে অরাজি নয়

আমার গুহাজীবনে ঠিক কতবার
বাঁহাতের তালু দিয়ে
ডানহাতের কব্জিতে বসা মশা মেরেছিলাম
তার তো কোনো হিসেব রাখিনি

মৎস্যকন্যাদের হাঁটাহাঁটি নিয়ে
জেলে-নৌকার প্রতিবেদনটি
আমার রক্তস্রোতে গুটিয়ে রেখেছে
একটা জনহীন কমলালেবুর শৈশব

তারই দু-চামচ লীনতাপ নিয়ে
হয়ত আবার কোনো সকালে

আমার তৃতীয়-আত্মা
জানলার ধারে বসে বসে
আদি-শংকরাচার্যের ফিউচার টেন্স হয়ে

ঝাঁকড়োমুকড়ো কাঁঠালগাছ থেকে

আরো একটি পাতা খসা দেখব 

Saturday, June 24, 2017

ড্রোন-হামলা


অপরা-বিদ্যার স্রোতে পাখিদের সঙ্গে পঙতি-ভোজনে আছি
উথলে-ওঠা হৃদ-মাঝারে ড্রোন-হামলা বাড়ছে



পৃথিবীর ধর্মের উপর গড়াগড়ি দিয়ে

যারা লিপস্টিকের বাজনা শুনে চাঁদে যেতে চায়

তাদের গালে কেউ লাগিয়ে দিয়েছে

               মেরুন-রঙের নেলপালিশ



সিঁড়িভাঙার অঙ্কে কিছু ফিসফিস কম পড়তেই

ল্যাদখোর রূপকথাদের মুখ ভার



অসামান্য বিহু-জ্বরে কেঁপে ওঠে নদী-সকাল

রসিক আয়নায় মেছো-ঘামের তছনছ বাড়ে



সারারাত চোরাবালি-যাপনের পর

দেবীর সাইলেন্ট-জোনে

আরো কিছু মোমের মূর্তি

Friday, June 23, 2017

কবিতার মতো কিছু



ভিজিয়েছে সোমত্থ দিন
ভিজিয়েছে উদাসি বল্কল
কবিতার মতো কিছু
        আগুন জ্বালায়
           দমকলের কাজও করে

এখানে কালো মেঘের পটভূমিতে
ঝালমুড়ির ঠোঙায় নাচে
আরব-সাগর
আর বেঁচে থাকার ভেতরে
আরো বেঁচে থাকা খুঁজে
দু-চারটে জোনাকি পেলে
খানিক নির্বোধ

বিষাক্ত নক্ষত্রের ক্লোজ-আপে
যতখানি স্পন্দিত হয় হলুদ আইস্ক্রিম
সহজ সুদের গৃহঋণ-প্রকল্প
ততই আধোনীল
নিউজপ্রিন্টের উপর পা ফেলে হেঁটে যায়
             আউশ থেকে পউষে

যখন মৃদু উল্লাসে
      ভিজিয়েছ উলুধ্বনি
        ভেজালে উন্মাদ কথকতা
তবে আরেকটু এগিয়ে এসে
        দুধের-বাটি পানপাত্র থেকে  
     ছুড়ে ফেলো মুছে ফেলো
        এত নৌকা ঘাট হাতকড়া
সুজন-উৎসবে মত্ত নগরে
নাহয় বদনামের পাতায়
              রাখা থাক
     এইসব ভুলভাল খড়কুটো



Friday, June 9, 2017

শেষ টোস্ট ০ নিকানোর পাররা (চিলি) (অনুবাদ- মুরারি সিংহ

ভালো লাগুক ছাই না লাগুক
তিনটের থেকেই আমাদের বেছে নিতে হবে
গতকাল, আজ অথবা আগামীকাল।

আবার ঠিক তিনটেও নয়
কারণ ওই যে দার্শনিক বলেছেন
গতকাল মানে গতকালই
সেটা রয়ে গেছে শুধু আমাদের স্মৃতিতেঃ
যে গোলাপ তোলা হয়ে গেছে
তার থেকে আর পাপড়ি ছেঁড়া যায় না।

তাহলে খেলার জন্য শুধু
রইল বাকি দুটো তাস
বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ।
এমনকি দুটোও নয়
কারণ এটা জানা ঘটনা
বর্তমান অস্তিত্বহীন
কারণ তা হারিয়ে গেছে
 মুড়িয়ে গেছে...
যৌবনের মতো।

শেষ পর্যন্ত
আমাদের কাছে থাকল কেবল আগামীকাল
যেদিনটা কখনো আসে না
তার দিকেই তাক করছি আমার আতস কাচ।
আমাদের হাতের মুঠোয়
শুধু এইটুকুই।

Friday, June 2, 2017

হে-চির দহন

কী রঙে আঁকব এই বিকেলের ডানা

নিষিদ্ধ হারেম থেকে চলকে পড়া খনিজেরা
আজ বড়ো এলোমেলো

আঁজিরবেলার ঝাঁকড়া-ধ্যানে 
যখন ঠ্যালা মারে নিত্য-নতুন পাললিক

যখন নো-ম্যানস-ল্যান্ডের নিপুন বাঁক 
গিলে ফেলে দুরারোগ্য

ঠিক তখনি 
মাঝ-দরিয়ার অজানা ঘোড়ানিমে 
ফুলদানিটিও ডেকে ওঠে অন্ত:সত্ত্বা

আজ আগুন নেভাতে আর কার কাছে যাব 
সেলফির পর সেলফি পোস্ট করে
                             এ আগুন কি নেভানো যাবে 

এখন নাহয় গ্লেসিয়ার বা উপত্যকারা 
কুলুঙ্গিতে তুলে রাখুক ভ্রমণকারীর বয়স

রজনিগন্ধতার সিলেবাস মেনে কিছু 
পক্ষীশাবকও আজ সাবালকত্ব পাক

শনিবারের এই বারবেলায় 
পশমে-বোনা কাবাডি-খেলায় তবু  
তালশাঁসের সঙ্গে যুক্ত হোক কিছু শ্রীচৈতন্য
            হে-চির দহন

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...