ইডিয়টের
দিনলিপি
একজন
ইডিয়টের দিনলিপির সঙ্গে আমার রোজনামচার হুবহু মিল দেখে আমি আদুর-বাদুড়-চালতা-চাদুর
বলে ঘরময় দুহাত তুলে নৃত্য শুরু করে দিই
যদি
কেউ প্রশ্ন করেন কেন তাহলে বলতেই হয় আরে মহাই অমন ভিকটোরিয়া মেমোরিয়াল হল আর
হাওড়া-ব্রিজ তৈরি করেছিল যে সাহেবরা তাদেরও শেষমেষ একদিন এদেশ থেকে ঝেঁটিয়ে বিদেয়
হতে হয়েছিল আর কিছু কিছু স্বঘোষিত মুরুব্বি সশব্দে দুচারটে বাতকম্মো করেই ভেবে
নিয়েছে আমার চেয়ে বড়ো হনু এ-জগতে কেউ নেই বাকিরা তো সব ছানু-পানুর দল
হে-হে-হে
ও বড়োবাবু বলি কী গোরুর গাড়ির সামনে একটা ফোর্ড ইঞ্জিন লাগালেই কি দেশটা রাতারাতি
অক্সফোর্ড হয়ে বুলেটের বেগে ছুটতে শুরু করবে তার চেয়ে বাপধনেরা যত পারিস সমুদ্রে
গিয়ে লোনাপানিতে নাকানি-চোবানি খা আমরা বরং কুয়োবাসাতেই থেকে যাই আহা কী সুন্দর মিষ্টি
জল সঙ্গে পুরোন পাঁকের গন্ধ যখন বর্ষাকাল আসে দেহিপদপল্লবমুদারম বলে ছুঁয়ে দিলেই ব্যাঙ-গিন্নিরা
গণ্ডায় গণ্ডায় বিয়োতে শুরু করে সেই তো চমৎকার এই পোড়ার মনুষ্য-জন্মে আর কি চাই বলুন
তো সঙ্গে মাঝে মাঝে ঘরের পান্তা ফেলে বাইরের হোটেলে পাস্তা-পিজ্জা
মারহাব্বা
আমি খুশি আমার ফুলকলি খুশি আর আমাদের প্রেম তো সেই কবে থেকে পেয়ারাগাছে ডালে বসে পা
দোলাতে দোলাতে গঙ্গাফড়িং দেখলেই শুধোচ্ছে গঙ্গাফড়িং গঙ্গাফড়িং গঙ্গায় কতটা জল