Total Pageviews

Friday, August 18, 2017

ও মুসাফির

হলুদ-নদীর ট্র্যাফিক-জ্যাম থেকে বলছি
কোনো পাতাবাহারের মনোরঞ্জনের জন্যেই হয়ত
                এত খনিজ আলিফ

প্রেসার-কুকারে সেদ্ধ হচ্ছে আমার বিদেহী আত্মা
             ও মুসাফির একটু দাঁড়াও আর
আমার জন্যে একটা আয়না আনো
একবার দেখে নিই
আমার যে লাফিয়ে ওঠা বুকব্যথা
তার হাসির সঙ্গে
ফ্যারাওয়ের ভেদবমির রিলেশনটি
এখন ঠিক কতখানি আহ্লাদের জন্ম দিচ্ছে

ও মুসাফির একটু দাঁড়াও একবার দেখে যাই
গোধূলির পাখি-সাঁতারে পুরোন কাঁথাস্টিচে জারি
আমার মনকেমনরা
এখন কেমন আছে

দাঁড়াও ঘৌড়দৌড় লতিয়ে ওঠার আগেই
শর্ট-প্যান্ট না-পরা ঈশ্বরকে

আরো কিছু নিমপাতা সাপ্লাই করি 

Sunday, August 13, 2017

পাতাল-গঙ্গা

যে কোনো অসভ্য-বর্ণের ভিতর
আমি আমার গামছা শুকিয়ে নিই

নিরামিষ-পর্বত পর্যন্ত বয়ে যায়
আমার সুরেলা অশ্বডিম্ব

যখন জোয়ার আসে
দূরের লাইট-হাউস থেকে
পেড়ে নিই কিছু নতুন খিদে

মাথানি-ষষ্টির শালুকফুল খুলে
দেখে নিই কেমন করে
কিছু ডটপেনের মৃত্যু হল
সাড়ে বিয়াল্লিশ ডিগ্রি কোণে

আমার কিছু করার ছিল না গো
আমার ফাউল-বিচ যে বড়ো
সুড়সুড়ি ভালোবাসে

তবে ধানি-লঙ্কারা কথা দিয়েছে
ডিগবাজি-খাওয়া মাঠের ধারে
লিপস্টিকের দোকান খুললে
তারা বিনা সুদে ঋণ দেবে

আমিও ভেবে দেখেছি
পাতাল-গঙ্গার না-শরীরের রহস্যে
যে গোধূলি সাঁতার কাটে

তা তো আর বুলেটপ্রুফ নয় 

Monday, August 7, 2017

বিড়ি-রচিত মহাকাব্য

পাড়ার মোড়ে 
এক যে আছে বসে-আঁকো লেখা ফ্লেক্স

তারই নীচের ফুটপাতে
 কথা-বলা ফুলের দোকান

এসব দেখি আর মনে পড়ে যায়
মাঝরাতেও মানুষের কত কাজ থাকে

যেমন গতকাল আমার কাজ ছিল
তোমাকে ফোন করা

আর তোমার কাজ
মোবাইল সুইচ-অফ রাখা

আমি তো শুক্লা-পঞ্চমী দিয়েই
মাটির পিঠে লিখে রাখি
        দিনভর অর্জিত পিপাসা

তাতে করে কি পিয়াঁজকলির স্বরলিপি
আরো তাজা হয়
             আরো গভীর

তাও জানি না তবে দেখি
যোগচিহ্নের কাছে ঋণ
বিয়োগচিহ্নের কাছে ঋণ
কখনে যেন ঢুকে গেছে ঘুমের ভিতর

সেখানে কত ঢেউ ওঠে
বেজে চলে কত টাকডুম

পরাগের বিরহ থেকে জন্ম নেয়
আরো কিছু E=mc2

আবার সেই মাঝরাতেই
মিলেট-আকাশ থেকে
খসে পড়ে উল্কাপিণ্ড

আমি খুব গম্ভীর মনে
তাই দিয়ে


         আরেকটা বিড়ি ধরাই 

Friday, August 4, 2017

বিগব্যাং-বিগক্রাঞ্চ

রাস্তার পাশে ছাগলে-মুড়নো গাছ
সারা জীবন কত কী যে দেখে যায়

অবাক হয়ে সে এখন দেখছে
আহা হিরোতে-জিরোতে কী কোলাকুলি 
সে-নাটকে আর অন্য কোনো চরিত্র নেই

আমি অবশ্য এমনিতেই এক চরিত্রহীন মানুষ
দৈর্ঘ্য নেই প্রস্থ নেই উচ্চতা নেই
জ্যামিতিতে যাকে বলে বিন্দু

এই বিন্দুতেই প্রতি মুহূর্তে বিগ-ব্যাং
সৃষ্টি হল এক নতুন ব্রহ্মাণ্ড
পরের মুহূর্তেই বিগ-ক্রাঞ্চ
         আবার হারিয়ে গেল সবকিছু

অথবা হয়ত কিছুই হারালো না
বিন্দু-গর্ভেই ঘুমিয়ে পড়ল
               ছা-পোষা গার্হস্থ্য

লহমায় লহমায় ঘুম ও জাগরণ নিয়েই আছি
                 আমি এক সত্তাহীন মানুষ
আমার দেশ নেই কাল নেই কালচারও নেই

রক্তে চিনি বেশি থাকার জন্যে শুধু

সারারাতে তিন বার বাথরুম যেতে হয় 

নতুন হাসি

তোমাদের কি জানিয়েছিলাম বহুদিন হল
         এক সুপারি কিলার লাগিয়ে
     আমার আমিটিকে গুমখুন করিয়েছি

এখন আমার গলায় যে কথা বলে
সে তো তার প্রেতাত্মা ছাড়া কিছু নয়

গাধাজন্ম এভাবেই কেটে যাচ্ছে
নেড়িকুত্তার গলা ধরে সাধনা করে বলছি
হে প্রভু পরজন্মে আমাকে নাহয় রাধা করে দিও

চারপাশ আলোকিত করে কত মেধা ফলে আছে
আমার মগজে তো আধখানা ঘিলু গোরুর
                বাকি আধটা শুয়োরের

ভাবছি দেয়ালে টিকটিকি হেঁচে উঠলে এবার
রসট্রামের আড়ালে দাঁড়িয়ে

       খানিকটা নতুন হাসি প্র্যাক্টিস করে নেব 

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...