Total Pageviews

Tuesday, April 25, 2017

স্বাস্থ্যপান

স্বাস্থ্যপান

বাঁধানো রাস্তার কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি
           আমিই এক ভাঙা-পেয়ালায়
প্রেম ও পলিথিনের স্বাস্থ্য-পান করছি

ঘাসফুল আর প্রজাপতি দিয়ে বানানো
ঘোড়ার-ডিমে কোথাও ওৎ পেতে আছে
মাছভাজার অট্টহাসি

নারকেলপাতা ও রোদ দিয়ে গড়ে তোলা
আকাশকুসুমে কোথাও বা দাদাগিরি ফলাচ্ছে
হিস-হিস লুজ-ক্যারেকটার

বদমাইসের নামাবলি গায়ে পথে নেমেছি
চোরকাঁটাকে ঈশ্বর মানলে জলফড়িংযের

কোনো অভিমান থাকতে নেই 

Monday, April 24, 2017

বোধিবৃক্ষ

বোধিবৃক্ষ

আজ আমার নিজের ছায়াটিকে দেখলাম
একা একা দাঁড়িয়ে আছে

এক মৃত-তালগাছের নীচে
তখন মাথার উপর সূর্য আগুন ছড়াচ্ছে

আমি তাকে বললাম
কী ভাই কেমন আছ

এই যে এত রংবেরঙের সংযাত্রা
তাই নিয়ে কিছু ভেবেছ

আর এই রোদে ওখানে কেন
এই বটগাছের ছায়ায় এসো

ধরে নাও না কেন
এটাই সেই বোধিবৃক্ষ

সে উত্তর দিল
ভাবছি তো বটেই

দেখছি এ-দল ও-দল সবাই চাইছে
এই কবন্ধের মগজ-ধোলাই করতে

আপাতত সেটাই আমার
মাথাব্যথার একমাত্র কারণ

তারপর সে হাত তুলে বাজপড়া
তালগাছটাকে দেখিয়ে বলল

এই গাছের ছায়ায় খাসা আছি
তুমিও ধরে নাও না কেন

এটাই আমার বোধিবৃক্ষ 

Sunday, April 23, 2017

ভাঙাভাঙি

ভাঙাভাঙি

মহাজনেরা জানিয়ে দিচ্ছে
নতুন কিছু গড়তে হলে
অনেক 
পুরোন জিনিস ভেঙে ফেলতে হয়

অন্য কোন কিছুড় দিকে
তেড়ে যাবার আগে


আমি নিজেকেই 
লাঠিপেটা করি দিনরাত

দেখি সেই আমি-বাবাজির
মাথা-মুণ্ডু আঁত-আঁতলেমি
সব ছিত-ছাতুর

শুধু শ্রীমানের মুখের হাসিটাকে
আমি হারাতে পারি না কিছুতেই

সেই হাসিতে খানিক লাউ-চিঙড়ির গন্ধ
খানিক কৃষ্ণযাত্রার সখিনাচ 

আমি বুঝি না এত রস ও রসকলি
আমি পারি না এত পান-সুপুরি  


তবে কি এই নতুন হবার যুদ্ধে
শেষ তক আমিই হেরে যাব

Saturday, April 22, 2017

অমঙ্গলকাব্য

অমঙ্গলকাব্য   

গ্রামের ছেলে
এতদিন জানতাম

মাচায় মাচায় লাউ ফলে কুমড়ো ফলে
উচ্ছে ফলে ঝিঙে ফলে
লকলকে পুঁইগাছও বেশ লতিয়ে ওঠে

এখন দেখছি নাগরিক মাচায়
কবি ও কবিতাও ফলছে খুব

এইসব দেখেশুনে অসভ্যতার নাভিকুণ্ড থেকে
এই আমি বিশুদ্ধ খচ্চর-রাশিতে যার জন্ম
একটা কবিসভার আয়োজন করেছি

ধ্যাদ্ধেরে গোবিন্দপুর গ্রামের শেষে
শ্মশানকালীর মাঠে

গ্যাঁজা-পূর্ণিমার রাতে

আসুন আসুন সব বাঁদরের-বাচ্ছা
শুয়োরের-বাচ্ছা কুত্তার-বাচ্ছা

মুখপোড়া ওলাউঠা-মার্কা
কাক-শকুনের দল

চলে আসুন সবাই
যোগ দিন দলে দলে

তখন চৈত্রের আকাশে এক থালা চাঁদ উঠবে
দূর থেকে ভেসে আসবে বুনো ফুলের গন্ধ

ভুরি-ভোজনে থাকবে গো-মাংসের কালিয়া
         আর শুয়োরের মাংসের বিরিয়ানি
সঙ্গে ঢালাও তালতাড়ি আর গাঁজা-সিদ্ধি

থাকতে পারে শ্মশানে ফেলে যাওয়া
এক-আধটা বাসি কুকুরের লাসও 

মাঝে মাঝে ভূত-পেত্নিরা এসে
নেত্ত পরিবেশন করবে

কথা দিচ্চি দারুণ জমাটি হবে সে আসর

আসুন আসুন সব অভদ্রজনেরা যাদের
চুলকুনি গেঁটেবাত হাঁচি-কাশি আমাশা

ঘামাচি বুক-ধড়ফড়
মাথা বন-বন কান-কটকট আছে

কেউ আসতে ভুলবেন না যেন

মুখে গ্যাঁজলা-ওঠা মানুষদের
ভুক-ভুক ভেউ-ভেউ
এই কবিতা-উৎসবে

ধূপ-ধূনো-গঙ্গাজলে ধোয়া
দেখো-আমি-বাড়ছি-মাম্মি-কবিতাদের
কমপ্ল্যান খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে
ইচ্ছে হলে আপনারাও আসতে পারেন

ওই নটি-বিনোদনী চাঁদের নীচে
আজ সবাই তারস্বরে পড়ে যাবো
বাদুড়ে-চোষা জীবনের অমঙ্গলকাব্য

আর হ্যাঁ আজকের সভামঞ্চে
মাননীয় চিতাকাঠ

কিছু অশুভ কামনা-বাসনার
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন

এবং

কয়েকটি নতুন হরিবোলের

মোড়ক উন্মোচনও করা হবে 

Friday, April 21, 2017

কবন্ধ-ব্রহ্ম

কবন্ধ-ব্রহ্ম 

সম্রাট ও সাম্রাজ্য
ব্রাহ্মণ ও বাণিজ্য 

র-ফলা য-ফলার
লুকোচুরি ছিঁড়ে ছিঁড়ে
          আমি তো কবন্ধ-ব্রহ্ম 

আমার বেজন্মের তীব্র ইনকাটারকে
বেবাক ঘোল খাইয়ে

কঙ্কাবতীর বেঢপ পাছা
যতই আনন্দে মাতুক

আমি তো হাঁদা-ভোঁদা আহাম্মক
উজবুক গবেট
কিম্ভূত টায়ার-পোড়ার-গন্ধ

নিঃশব্দ-রঙের খাজনার ভিতর
উঁকি মেরে দেখে যাই

বেনোজলের সিরিয়ালে
মৌজীবী ম্যাজিসিয়ান

এখন ঠিক কোন ভাষায়
কথা বলে

আমার দিন কাটে
ফুল আর ফুলুরির
লম্ব-দূরত্ব মেপে মেপে

আমার রাত কাটে
চাঁদ ও চাঁদমালার
নাগরিক ডিজাইন ঠিক করে

আমনধানের লৌকিক ডাক দিচ্ছে
বোরোধানের অলৌকিকও ডাক দিচ্ছে

বলছে চৈত্রসেলের প্রসব করা
নাইট-ইস্কুলের পথে পা বাড়াতে
তোমার কিসের এত সংশয় হে

সোঁদা-আঁচলের ফুটনোটে
কু-ঝিকঝিক রেলগাড়ি

বনভোজনের ভিতরঘরে আমিও এখন

নিজেকে খুলে ফেলেছি ক্রমাগত 

Thursday, April 20, 2017

দারুচিনি-সংবাদ

দারুচিনি-সংবাদ

গণিত-পরীক্ষার তিন-নম্বর প্রশ্নের সঙ্গে
রুটিন করমর্দন সারা হলে
এই একটা দারুচিনি মুখে নিই

সুখদুঃখের ছায়াছবিতে
কিছু ফুলমালা ঝুলিয়ে

আপাতত আরো একবার
বকুলতলায় যাবো

দেখব মোমবাতিদের ঘাম ব্যবহার করে
সেখানে কোনো নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র
গড়ে উঠল কিনা

আর তো কটা দিন ভাইসব
তারপর চাঁদ যখন
বাপের বাড়ির দিকে হাঁটা দেবে

পাখিরাও মুখে মুখে বয়ে নিয়ে যাবে
আমার অসামাজিক ধ্বংসাবশেষ

তার আগে বুঝে নিতে চাই
চুম্বনের গভীরে কত অনূঢ়া শীতকাল

দেখে নিই 

দেখে যাই

এইসব ছায়া ছায়া নাচ

আরো মজা আরো তামাশা
দেখব বলেই তো

গাধাগুলোকে এখন নামিয়ে দিয়েছি

ইঁদুরদৌড়ে 

Wednesday, April 19, 2017

তাড়িখোড়ের ঈশ্বর-ভাবনা

তাড়িখোড়ের  ঈশ্বর-ভাবনা

আজ আমার মন একটুও ভালো নেই 
ও পেঁচির-মা একথা তোকে ছাড়া
আর কাকেই বা বলি 

বাঁশবনে শেয়ালেরা ডাক দিলে 
তোর আইরিখেতেই যে আমি 
পাকাধানের-শিস কুড়তে যাই 

আহা তোর আইরিখেত
আহা সেই গামছা-ঢাকা স্বর্গরাজ্যি 

বেঁচে আছি বলেই না 
এত হাঁচি-কাশি 

বেঁচে আছি বলেই না
সকালের ভিজে-মুড়িতে
এত পেঁয়াজ-কাঁচালঙ্কার মাস্তানি  

তবু কখনো কখনো 
তোর শিলনোড়ার গান
আর ভালো লাগে না 

ভালো লাগে না 
আমার ভোঁতা-লাঙলের স্বেচ্ছাচার

গুড়-শসার প্রসাদ খেতে 
ভগবান যতই নেমে আসুক
ডেঁয়ো-পিপড়ের ছদ্মবেশে 

গাছের এডালে ওডালে কাঠবিড়ালিরা 
লেজ-বাঁকিয়ে নিয়ে যায় 
আমার তালতাড়ির নেশাটুকু 

শুখা মাঠের রোদ্দুর 
সারাদিনই খেটে মরছে 

খেটে মরছে আর লুট করছে 
তোর সমস্ত গেঁড়ি-গুগলি 

ও-পেঁচির মা বিশ্বাস কর 
এখন আমার কানে গোঁজার মতো  
একটা পোড়া-বিড়িও নেই  

অথচ লোকজন বলাবলি করছে
ঈশ্বরের পঁদ থেকে বেরিয়ে আসা সুগন্ধ

আমাদের পরমায়ুকে নাকি 
আরো উজ্জ্বল করে

Sunday, April 16, 2017

ফলস-ভোটার

ফলস-ভোটার

টেঁপাটেঁপির গল্প বলে ভুলিভালিয়ে
কোকিলকে কোকাকোলা খাওয়াচ্ছি

ভরদুপুরে বৃষ্টিকে ঘুম পারিয়ে
এনতার ডুবসাঁতার কাটছি
কনকচাঁপার রেতঃপাতের ভেতর

জানি না তুমি আজ আমায়
চিনতে পারো কিনা

ভালোবাসার রুমটেম্পারেচারে
আমি এক পরাস্ত-ডালিম

ঈশ্বরের পঞ্চমপক্ষের সন্তানেরা
যেখানে বেড়ে ওঠে

আমি তার সাড়ে তিনহাত তফাতে
এক আকাট-মূর্খের আলোয়ান গায়ে নিয়ে
নিজের রাগগুলোকে গুছিয়ে রাখি

ধর্মক্ষেত্রে কুরুধর্মক্ষেত্রে
ভাঙা গাণ্ডীব হাতে নিয়ে


আমিও যে এক ফলস-ভোটার 

Thursday, April 13, 2017

স্লাইড-শো



স্লাইড-শো   

বাদাবনবিহারিণী হরিণী
একবার সামনে আয় দেখা দে

তোর রূপে আজ আমি
মুগ্ধ হতে চাই

একটি নিভৃত স্নানের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে
অন্যজন্মের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি
আমি ও আমার লোটাকম্বল

আয় বিহুনাচ আয়
প্রহরে প্রহরে বিদ্ধ হই
তোর ক্ষুদ্র-সেচ প্রকল্পে

ঘানিতন্ত্র মন সঁপেছে মানিপ্ল্যান্টে
একটি কুমড়োফুল-মাখা ভোরবেলায়

আমি কি কেটে কেটে বসে যাচ্ছি না
রজনীগন্ধার শীর্ষাসনে

নৌকাবিহারের জমিজমায় ওই যে
যত ডাগোর-ডোগর ঢ্যাঁড়স ফলেছে

তাদের শরীর বেয়েও কি নেমে আসছে না
কত টইটম্বুর

ক্রিজ থেকে স্টেপ-আউট করে
ওভার-বাউন্ডারি হাঁকানোর আগেই

প্রিয় ওড়নার বুক লক্ষ্য করে
ছুড়ে দিয়েছি আমার বদরক্ত

নুন মেখে বসে থাকা
এই এক-নহবত অন্যমনস্কতায়
আয় বৃষ্টি আয়

আয় তোরা ঝাঁক ঝাঁক আলোছায়া

নদীর অন্ধত্বে রিমঝিম
উড়োমেঘ ঝুরোমেঘ

আয় আয়

গ্যাসের ভর্তুকি পাই বা না-পাই জীর্ণ
পলেস্তাররার পেটব্যথাকে হেসে উড়িয়ে দিয়ে

এলইডি-মালা থেকে ছড়িয়ে পরা জ্যোৎস্নায়
আমাকে যে আজ মুগ্ধ হতেই হবে  

Saturday, April 8, 2017

ডোপটেস্ট

ডোপটেস্ট

রাধা-কেষ্টর ছ্যাবলামি জুড়ে
শুধুই আমি আমি আর আমি

আমার সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য
তুমিও এসে জুটে যাও

নাহলে প্রেমলীলে জমবে কী করে

আসলে রাধা-কেষ্ট উপলক্ষ মাত্র
রক্তগোলাপের টিপছাপে সিঁধ কেটে দেখো

কদমফুলের ওয়ে্ভলেংথে যে বৃষ্টিপাত
তার সঙ্গে মিশে গেছে  
আদিম আহ্বান মেশানো কিছু অপ্রকাশ

সেই উৎফুল্ল যেমন খেলা করে
তোমার আনন্দে

তেমনি সেই ফুল্ল-কুসুমিত
কণ্ঠ মেলায় আমার বর্বরতায়

শ্রীশ্রী শ্রীল শ্রীযুক্ত মাননীয় সুধিগণ
শ্রীমতির চুলোর আঁচ
যখন খুব গনগন করে

তখনি আমার আবার খুব হাগা পায়

এভাবেই কেন জানি না
ভালোবাসার দিকে আমার দৌড়টি


বার বার ডোপটেস্টে ফেল করে বসে 

একটি পেস্টমডার্ন কবিতা

একটি পেস্টমডার্ন কবিতা

কৃষ্ণচূড়ার আলিঙ্গন থেকে কাট করে
ঝিঙেফুলের হৃদ-মাঝারে
যখন নিজেকে পেস্ট করতে যাই

দেখি রাজসভায় ভাঁড়েদের মহোৎসবে
ব্যাপক বোমাবাজি শুরু হয়ে গেছে

রামো রামো রামো
একী বাতকম্মো 

অথচ আমার জং-ধরা ভাগ্যরেখা
নিশিডাকে সাজানো রাজপথের যানজটে
     দিব্যি লাফদড়ি খেলে বেড়াচ্ছে

সুতরাং রামধনুর ভাষা থেকে
আমার গোঙানিগুলোকে এখন আর
কিছুতেই আলাদা করা যায় না

অতঃপর সিগারেটের দেহতত্ত্বের সঙ্গে
যতই হাসিঠাট্টা করুক আমার কলমও
একটি পেস্টমডার্ন কবিতার জন্ম দিতে

ব্যর্থ হয় 

Friday, April 7, 2017

রামায়ণ-মহাভারত

রামায়ণ-মহাভারত

সেই একই রমণী

একই ওষ্ঠ ও অধর
একই গলা-বুক-কোমর-পাছা 

একই চিবুক-নাক-কপালেরটিপ
একই চোরা-চাউনি আর বাঁকা-হাসি

একই ছলা-কলা কৈবল্য

জানি জানি জানি
গুষ্ঠির পিণ্ডি সব জানি

তবু কেন যে বার বার
এত মোহগ্রস্ত হই

কেন যে ঘুরেফিরে
সেই রূপের আগুনে ঝাঁপ দিতে ছুটে আসি

বোধহয় রামায়ণ-মাহাভারতের কিছু পাতা

এখনো লেখা হতে বাকি রয়ে গেছে 

Thursday, April 6, 2017

ভাটিয়ালি

ভাটিয়ালি

আমার রক্ত ও ঘাম
ক্রমশ নাস্তিক হয়ে যাচ্ছে

ইলশেগুড়িতে ভিজে ভিজে
বিপদসীমার আরো কাছে

নৃত্যশিল্পীর হরমোন আর
স্তন্যপায়ী প্রেম নিয়ে যখন

কোনো নারীর সামনে দাঁড়াই

নিজেকে মনে হয়
যেন এক আস্ত ভগ্নস্তুপ

আরে আমি তো ছি-ছি শব্দের
ছক ভাঙতে চাইছি

কিন্তু পারছি না কেন

ধানখেত পোয়াতি হবে বলে কেন যে  
আমার জন্যেই অপেক্ষা করে আছ

বুনোফুল ও দুষ্ট-ব্রণ কি এভাবেই
আমায় ভাসিয়ে নিয়ে যাবে

হে ভাটিয়ালি

তুমি কিছু বলো 

Wednesday, April 5, 2017

ছাপোষা গিনিপিগ

ছাপোষা গিনিপিগ

পুরাতনগ্রামে যে চাঁদ সঙ্গী হয়েছিল
নতুনগ্রামে সেই একই চাঁদ
             নতুন কিছু নেই

অমাবস্যা থেকে পৌর্ণমাসী
রোজ রোজ চাঁদ উজ্জ্বলতর হয়
         বাকি সব একই রকম থাকে

পূর্ণিমা থেকে অমাবস্যা প্রতিদিন
চাঁদ মরে যেতে থাকে
         বাকি সব আগের মতোই

হাজার যুদ্ধ ঠোঁটে নিয়ে রোজদিন
             সূর্য আসে যায়

কৃষিঋণ কাঁধে ঝুঁকে পড়া চাষিদের ভেঙেচুরে
এই শীতকালও অনেক ফুল উপহার দিয়ে গেল

পবিত্র আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলা
আমি এক ছাপোষা গিনিপিগ

নিজের বেসুরগুলোকে যত্ন করে সাজিয়ে
চোত-বোশেখের নারীতেও
 আমি বেঁচে রইলাম

                 বড়ো দীর্ঘকাল 

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...