Total Pageviews

Friday, July 29, 2016

ইডিয়টের দিনলিপি



ইডিয়টের দিনলিপি

একজন ইডিয়টের দিনলিপির সঙ্গে আমার রোজনামচার হুবহু মিল দেখে আমি আদুর-বাদুড়-চালতা-চাদুর বলে ঘরময় দুহাত তুলে নৃত্য শুরু করে দিই



যদি কেউ প্রশ্ন করেন কেন তাহলে বলতেই হয় আরে মহাই অমন ভিকটোরিয়া মেমোরিয়াল হল আর হাওড়া-ব্রিজ তৈরি করেছিল যে সাহেবরা তাদেরও শেষমেষ একদিন এদেশ থেকে ঝেঁটিয়ে বিদেয় হতে হয়েছিল আর কিছু কিছু স্বঘোষিত মুরুব্বি সশব্দে দুচারটে বাতকম্মো করেই ভেবে নিয়েছে আমার চেয়ে বড়ো হনু এ-জগতে কেউ নেই বাকিরা তো সব ছানু-পানুর দল  



হে-হে-হে ও বড়োবাবু বলি কী গোরুর গাড়ির সামনে একটা ফোর্ড ইঞ্জিন লাগালেই কি দেশটা রাতারাতি অক্সফোর্ড হয়ে বুলেটের বেগে ছুটতে শুরু করবে তার চেয়ে বাপধনেরা যত পারিস সমুদ্রে গিয়ে লোনাপানিতে নাকানি-চোবানি খা আমরা বরং কুয়োবাসাতেই থেকে যাই আহা কী সুন্দর মিষ্টি জল সঙ্গে পুরোন পাঁকের গন্ধ যখন বর্ষাকাল আসে দেহিপদপল্লবমুদারম বলে ছুঁয়ে দিলেই ব্যাঙ-গিন্নিরা গণ্ডায় গণ্ডায় বিয়োতে শুরু করে সেই তো চমৎকার এই পোড়ার মনুষ্য-জন্মে আর কি চাই বলুন তো সঙ্গে মাঝে মাঝে ঘরের পান্তা ফেলে বাইরের হোটেলে পাস্তা-পিজ্জা



মারহাব্বা আমি খুশি আমার ফুলকলি খুশি আর আমাদের প্রেম তো সেই কবে থেকে পেয়ারাগাছে ডালে বসে পা দোলাতে দোলাতে গঙ্গাফড়িং দেখলেই শুধোচ্ছে গঙ্গাফড়িং গঙ্গাফড়িং গঙ্গায় কতটা জল

No comments:

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...