চলে যাচ্ছি
ভেলিগুড়ের ভালোবাসা বেয়ে
বিনষ্ট চাঁদমালার গর্ভে
জমে ওঠা নাটকের দিকে
জন্মান্তরের নুহূর্তে
নিজের নিশ্বাসের শব্দে নিজেই চমকে উঠি
বিকেলের প্রচ্ছদে যখন জাদুকরের বাঁশি বেজে উঠেছিল
আমি তখন আমার সমস্ত ট্যাক্স-ফাঁকি জমা করছিলাম
এক আবহমান কুনোব্যাঙের চোখে
স্কুল-পালানো রবি-ঠাকুর একটু মুচকি হাসলেন
মনে হল আমি যেন বনধুঁধুলের ফুলের মতো
কালবোশেখির ইহলীলায় নিতান্তই বহিরাগত
তখন ধুলো ও ধোঁয়ার পাশে
কুলো ও চালুনি রাখা ছিল
মধুবাবুর খামারেরর গাদা থেকে
খড়ের আঁটি টেনে নিয়েছিল পালগোরু
আমি আর কী করে বুঝব বলো
আলোহীন অন্ধকারহীন রবিবারে
আমাকে ঘিরে আছে
এক নিখুঁত নস্যিকথার শাশ্বত ছেলেখেলা
প্রকাশ্য-সমাবেশের ভরকেন্দ্রে গিয়ে দেখি
আলতা-সিঁদুরে মেতে আছে ব্যাঙ্ক-জালিয়াতি
ব্যক্তিগত কলমদানি আর বনসাইয়ের
কথা বলতে বলতে
আউশধানের উপপাদ্যেও খুব জোয়ার এলো
আমি তখন অনলাইনে কিছু গ্রিন-রেভোলিউশন
কেনাবেচা করলাম
হাই-ইস্কুলের পেটভর্তি
মিথ্যা সবুজের ফিল্ম-উৎসব
কখন যেন
হাসতে হাসতে ঢুকে পড়েছিল
বিগবাজারের শ্রীথলির মধ্যে
নেলপালিশের গর্ভে জন্ম নেওয়া মৃদু নিম্নচাপকে বললাম
আমাকেও তোমার ড্রেস-রিহার্সেলের
একটি কমপ্লিমেন্টারি কপি দিও
No comments:
Post a Comment