Total Pageviews

Saturday, April 21, 2018

ভণ্ডামির কবিতা


যেদিন এক নিশ্বাসে চার ভাঁড় তালতাড়ি সাবাড় করেছিলাম
চাঁদটাকে সেদিন বেশ মুচমুচে লাগছিল কিনা
সেটা তো আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার  
 তাতে কালপুরুষের বাপের কী

কাঁটা-চচ্চড়ির ডাঁটা চিবোতে চিবোতে
                 দেখ রে খেঁদির-মা
কেমন পেরিয়ে এলাম আরো একটা চত্তির মাস

আমার ঘামফোঁড়ার রাশিফল বলছে
এই বোশেখে যাই করি না কেন
সবই নাকি বুদ্ধ-পূর্ণিমার দখলে চলে যাবে

তাহলে ভাঙা কার্নিসে বসে এখন
আরো কতকটা তালতাড়ি খাবো

তারপর সোনালি-ধানের মাঠে হাঁটতে গিয়ে
হোঁচট খেয়ে পড়ে হেগেমুতে
ঢ্যামনা-কেঁচো আর হলুদ ব্যাঙাচিদের
পরিবেশবিদ্যার পাঠ দেবো

আমি জানি না এই হোঁৎকা শরীরের মধ্যিখানে
যে ৎ-বাবাজি বিরাজ করছে
তার ক্রোমোজমে কে মেশালো এত জবর ভণ্ডামি

আমি তো বলবই
শালা নিকুচি করেছে পটেটোচিপস-মার্কা
ওই সব ঢংযের রাষ্ট্রনীতির
দেবালয়ে পড়ে আছে আসিফার লাশ

সালভাদোর দালির গোঁফের দিব্বি
গো-ভাগাড় থেকে আজ
সব মৃত-পশুর মাংসই
সরাসরি চালান হয়ে যাক

শহুরে বাবুদের রোজকার মুখাগ্নিতে

No comments:

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...