Total Pageviews

Thursday, May 24, 2018

একটি পুঁজিবাদী কবিতা



 
বেতালা ও বেহায়া বেঁচে থাকায় কিছুদিন চাঁচাছোলা হয়ে থাকি
                                         কিছুদিন মালকোঁচা-এঁটে
                                                               কচি বেলপাতা চিবোই  
মাঝে মাঝে মিনরাশি থেকে কতক ঘোলাজল নেমে এসে খোঁজখবর নিয়ে যায়
নকশি-কাটা মাদুরে বসে তারা অনেক গল্পগাছা করে যাবার আগে বলে 
ওই যে ঘরোয়া শরীর মিশে থাকা ওই ভাড়াটে ভেংচিকাটাগুলোকে দেখছ
সেগুলো আসলে কাকের বাসায় আটকে পড়া
    এক বৃদ্ধ নাবিকের যৌনতার কাহিনি
     সোনামাসির কোলে শুয়ে
তার কাঁঠাল-ভাঙার কথাও শুনি খুব মন দিয়ে
এবং যত্ন করে নিজের আয়ুরেখা তছনছ করি  
তারপর বাসমতি চালের জন্মকথাটিকে একটা পুঁজিবাদী হাসি দিয়ে বরণ  করে
জন্মান্ধ মহাকালের ভিতর অমরত্বের ভল্যুম আরো কিছুটা বাড়িয়ে দিই

 
বনহরিণীর উনত্রিশ পাতায় লুকিয়ে রাখি অন্যমনস্কতা
জলাজমির উপোসি শরীরে এ এক চিরনির্মাণের খেলা
কতকটা সম্পর্ক নিষিদ্ধ নাসপাতির দিকে গড়িয়ে যায়
কিছুটা সম্পর্ক লোমকূপের গভীরে অবুঝ পায়চারি করে
ব্লটিং-পেপারের সাজঘরে ও-কার এলোমেলো নাচ  বুঝি না
বিবাহযোগ্য গাধাদের সারস্বত চিৎকার শিরোধার্য করে
ছায়ামানুষের কষ্টরেখায় আঁকা যে সচ্ছল ভাটিখানা
                                                          আমি হয়ে উঠি
                                                      তারই এক অনবদ্য নাগরিক  
দূরবর্তী স্রোতের গন্ধে যে বালিকা ঋতুমতী হয়
ইচ্ছে করে তার ম্যাগনেটিক জাদুঘরে
কিছুদিন স্ক্রিনসেভার হয়ে থাকি
যদিও দিনের আলোয় সেভেন ও-ক্লক ব্লেডের ধার কমে আসছে
নির্জন গেস্টহাউসের আমপাতায় একটা মৃত্যু-সংবাদও
     ক্রমশ সাবালক হতে থাকে  







No comments:

অনাসৃষ্টি

  ঝিনুকের পেটে জমে থাকা মাধ্যাকর্ষণ সোনা-ধোপানির ছোটো বিটিকে একজন উথালপাতাল কোরিওগ্রাফার বানিয়েছে   শতভিষা নক্ষত্র থেকে জল তুলে এনে     ছৌনা...