কাছাখোলা জন্মভূমি থেকে তো আর
বেশি দূরে যেতে পারি না
তাই তৃতীয় বা চতুর্থজন্মের জন্যে তোলা রইল
ওই শালবনের পিছনে চাবাগান
বুকের কোণে বাদামি অসুখ নিয়ে
স্পর্শযোগ্য মাছেরা ফ্রিকিক মারছে
মায়াপাহাড়ের সানুদেশে ঘনিয়ে উঠছে বর্ষাকাল
তাই ভাবছি ভরসন্ধ্যায় এত দাঁতের ব্যথায়
কাতর হয়ে কীই বা হল রাস্তার জীবন রাস্তাই জীবন
রাস্তা দিয়েই হেঁটে যান সৌধ-কুলীন ঈশ্বর
সঙ্গে চলে তার কুঁজ পুঁজ ও পুঁজিবাদ
সেও তো এক ফাটা-কলসির জল
তখন ভগবান কহিলেন হে অর্জুন
আধারকার্ডের লীনতাপ থেকে উঠে আসা
এই যে এত ব্যাসিলাস তরমুজকক্কাস
একথা যেন কারো কাছে লিক কোরো না
বরং মাঝারাতে বিশ্বসুন্দরীর ঘামের গন্ধে
ঘুম না এলে কোনো প্রত্নতত্ত্বের বই টেনে
তার পাতা উলটে দেখো একটা গাছ আর
তার শেকড়ের কথাই আমি বলছিলাম
ভাবো কী
অনায়াস সেই দাঁড়িয়ে থাকার গল্প
No comments:
Post a Comment