হাঁটি-হাঁটি শিশুকন্যা
পরণে স্কুল-ইউনিফর্ম
তাকে ইয়েলো কালারের বাসে তুলে দেবে বলে
যে ডাগোর-ডোগোর বউটি এগিয়ে আসে
তার মাথায় লাল-ছাতা
উথালিপাতালি সোহাগি শরীর
গতরাতের স্বামী-সুখে মশগুল
আমি কি ওই সোঁদর মুখের দিকে
কুনজর দিতে পারি
খোলামকুচি বারণ করে
হিংচে-শাক বারণ করে
তাই মাঝে মাঝে নিজেকে খুব
যুদ্ধ-পীড়িত বলে মনে হয়
তখন তো আর কনকনে দুঃখ নিয়ে
বনে চলে যেতে পারি না
বনে চলে যেতে পারি না
তাই চোখে সানগ্লাস ঝুলিয়ে
আড়াল করি মনের খিদে
তারপর কুলগাছের ডাল ধরে নাড়া দিই
ঝরঝর ঝরে পড়ে পাকাফল
আমি খিক খিক করে হাসি
আর ফিস ফিস করে বলি
আহা-রে হ্যাঁচকা-টান
তোর কী অপার মহিমা
No comments:
Post a Comment