ঢ্যামনা-লিখিত
পঙক্তিমালা
লিখতে
গিয়ে যখন কিছুই মাথায় আসে না তখন চারপাশটা কেমন ম্যাদামারা লাগে আবার যখন শ্রীকলম
চলতে শুরু করে তখন ভাবি সে কথায় কথায় গর্জন করবে ওমা কোথায় কী আমার কালিদাসির গলা
থেকে শুধুই মিউ মিউ আওয়াজ বের হতে থাকে আমি যতই রেগে গিয়ে তাকে ধমক দিয়ে বলি এই
শুয়োরের বাচ্ছা ঢ্যাঁড়সান্ন ছেড়ে এবার মাটনান্ন খা ততই দেখি সে কপালে রসকলি এঁকে
পাশবালিশকেই বলছে প্রেমের ঠাকুর তারপর যখন রিমোট টিপে চ্যানেল বদলে ভরাবর্ষার পাতা
ওলটাই তখন দেখি কোথায় ঢ্যাঁড়স কোথায় মাটন সবাই তাদের গয়নাগাঁটি খুলে রেখে সুইমিংপুলে
সাঁতার কাটতে নেমেছে আর কিছু দূরে একটা কৃষ্ণচূড়ার জিভ শ্রাবণ-মেঘের জিভের সঙ্গে
কোলাকুলি করার আগে আমার দিকে তাকিয়ে বলছে এই যে ঢ্যামনা-মহাশয় এবার অনুগ্রহ করে
আপনার চক্ষুদুটি বন্ধ করুন দেখি
No comments:
Post a Comment